মৌখিক স্মৃতির মহাকাব্য: উসমানীয় ছায়ায় সার্বিয়ার প্রজ্ঞাবাণী

সার্বিয়ান প্রবাদগুলি শুধু সংক্ষিপ্ত নীতি বাণী নয়, এগুলো একটি জাতির স্মৃতিতে খোদাই হওয়া ইতিহাস, দর্শন আর টিকে থাকার গল্পের সুর। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এরা বেড়ে উঠেছে ভূ-রাজনৈতিক বাতাসের সাথে তাল মিলিয়ে, উসমানীয় সাম্রাজ্যের সুদীর্ঘ ছায়ার নিচেও। সেই সময়কে কেবল ‘তুর্কি জোয়াল’ বলা হবে একপেশে দৃষ্টিভঙ্গি।

সম্পূর্ণ পড়ুন →

আন্তোনিও গ্রামসির নিষ্ক্রিয় বিপ্লব এবং ট্রান্সফর্মিজমো: রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং আধিপত্যের কৌশল

আন্তোনিও গ্রামসির রাজনৈতিক দর্শনের মূল স্তম্ভ হলো 'ওয়ার অফ পজিশন' বা স্থানিক যুদ্ধ, যা আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে এক গভীর পরিবর্তনের সূচনা করেছে। ১৯২৯ থেকে ১৯৩৫ সালের মধ্যে ইতালির ফ্যাসিবাদী কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় গ্রামসি তার 'প্রিজন নোটবুক'-এ এই তত্ত্বটি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেন। এই তত্ত্বের মূল উদ্দেশ্য ছিল পুঁজিবাদী ব্যবস্থার স্থায়িত্ব এবং এর সাংস্কৃতিক আধিপত্য বা 'হেজিমনি' বোঝার চেষ্টা করা। গ্রামসি লক্ষ্য করেছিলেন যে, আধুনিক পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোতে ক্ষমতা কেবল পুলিশ বা সামরিক শক্তির ওপর টিকে থাকে না, বরং তা নাগরিক সমাজের গভীর শিকড়ে প্রোথিত থাকে। তার মতে, এই গভীর শিকড়কে উপড়ে না ফেলে কেবল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করা অসম্ভব।

সম্পূর্ণ পড়ুন →

শান্তির নোবেল ও যুদ্ধের অভিযোগ: ওবামার বৈদেশিক নীতির পরস্পরবিরোধিতা

বারাক ওবামার রাষ্ট্রপতিত্ব (২০০৯-২০১৭) মার্কিন ইতিহাসের একটি আলোচিত, প্রভাবশালী ও বিতর্কিত অধ্যায়। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তার শাসনামল আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী সময়। তার রাষ্ট্রপতিত্ব কেবল মার্কিন রাজনীতিতেই নয়, বিশ্বজুড়ে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। তার শাসনামলে মার্কিন অর্থনীতি ২০০৮ সালের বিশ্ব আর্থিক মন্দা থেকে পুনরুদ্ধার লাভ করে, তবে মধ্যপ্রাচ্যে লক্ষ্যভিত্তিক হামলা এবং বৈদেশিক সংঘাতে জড়িততার কারণে আন্তর্জাতিক মহল তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে।

সম্পূর্ণ পড়ুন →

অ্যাডাম স্মিথের "জাতির সম্পদ" এবং এর অর্থনৈতিক প্রভাব

অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে ইউরোপ যখন শিল্পবিপ্লবের সূচনালগ্নে দাঁড়িয়ে, তখন মানবসমাজের উৎপাদন, বাণিজ্য ও রাষ্ট্রচিন্তার ভেতরে এক গভীর রূপান্তরের প্রয়োজন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে অ্যাডাম স্মিথ রচিত জাতির সম্পদ আধুনিক অর্থনৈতিক চিন্তার ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে আবির্ভূত হয়। গ্রন্থটি কেবল তৎকালীন অর্থনৈতিক কাঠামোর বিশ্লেষণই নয়, বরং মানুষের শ্রম, নৈতিকতা, স্বাধীনতা ও সামাজিক কল্যাণকে একসূত্রে গাঁথা এক সুসংহত দার্শনিক কাঠামো। স্মিথ দেখিয়েছেন যে একটি জাতির প্রকৃত সম্পদ সোনা-রুপার ভাণ্ডারে নয়, বরং তার মানুষের শ্রমশক্তি, উৎপাদনক্ষমতা এবং সেই উৎপাদনের ধারাবাহিক প্রবাহে নিহিত।

সম্পূর্ণ পড়ুন →